প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 23, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 12, 2026 ইং
মোটরসাইকেলের ‘ফুয়েল পাস’ নিবন্ধন: জেনে নিন পদ্ধতি, সুবিধা ও অসুবিধা

মোটরসাইকেলের ‘ফুয়েল পাস’ নিবন্ধন: জেনে নিন পদ্ধতি, সুবিধা ও অসুবিধা
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে জ্বালানি সাশ্রয় এবং প্রতিটি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহারের হিসাব ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার মোটরসাইকেলের জন্য ‘ফুয়েল পাস’ (Fuel Pass) ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এখন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে হলে চালকদের এই ডিজিটাল পাসের আওতায় নিবন্ধিত থাকতে হবে।
ফুয়েল পাস নিবন্ধন করবেন যেভাবে
মোটরসাইকেল চালকরা ঘরে বসেই মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন:
১. ওয়েবসাইট বা অ্যাপ: নির্ধারিত সরকারি পোর্টালে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
২. তথ্য প্রদান: বাইকের চেসিস নম্বর, ইঞ্জিন নম্বর এবং মালিকের মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করতে হবে।
৩. কিউআর কোড (QR Code): নিবন্ধন সফল হলে একটি ইউনিক কিউআর কোড বা ডিজিটাল কার্ড ইস্যু করা হবে। এটি মোবাইলে রাখা যাবে অথবা প্রিন্ট করে মোটরসাইকেলে লাগিয়ে রাখা যাবে।
ফুয়েল পাসের সুবিধাসমূহ
- স্বচ্ছতা: পাম্পগুলোতে জ্বালানি বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম কমবে এবং কালোবাজারি রোধ হবে।
- সঠিক হিসাব: একজন গ্রাহক মাসে কতটুকু জ্বালানি নিচ্ছেন তার সঠিক ডাটাবেজ থাকবে, যা জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করবে।
- দ্রুত পেমেন্ট: এই সিস্টেমের সাথে ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত থাকায় নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে।
সম্ভাব্য সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ
- নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনা: গ্রামাঞ্চলের অনেক পাম্পে ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে কিউআর কোড স্ক্যান করতে সময় লাগতে পারে।
- কারিগরি জটিলতা: সার্ভার ডাউন থাকলে বা অ্যাপে সমস্যা দেখা দিলে পাম্পে দীর্ঘ জটলা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
- সীমাবদ্ধতা: অনেকের মতে, নির্দিষ্ট কোটা বা সীমা নির্ধারণ করে দিলে জরুরি প্রয়োজনে অতিরিক্ত জ্বালানি পেতে ভোগান্তি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের জ্বালানি খাতকে আরও সুশৃঙ্খল ও আধুনিক করে তুলবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ SOMOY71